ইফাত কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। সাধারণত সে সন্ধ্যার পর ঘরের বাইরে থাকে না । যদি বাইরে যায় তাহলে ৮ টা ৯ টা’র আগে ঘরে চলে আসে । কিন্তু আজ আসছে না । ঘরের সবাই ইফাতের চিন্তায় পেরেসান । ইফাতের মা কাঁদতে কাঁদতে চোখ লাল করে ফেলেছেন । ইফাতের বড় বোন ইফাতের সকল বন্ধুদের বাসায় ফোন করছে কিন্তু ইফাতের কোন খবর পাচ্ছে না । ইফাতের বাবা বিভিন্ন মেডিকেল গুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ইফাতের খোঁজে।
ইফাত এখন হাত-পা বান্ধা অবস্থায় আছে । কথায় আছে সে জানে না। তার সামনে কিছু গুণ্ডা টাইপের লোক দাঁড়িয়ে আছে । সে টিভিতে দেখেছে এরা ছোট বাচ্চাদেরকে ধরে নিয়ে এসে ঘরে ফোন করে বলে: আপনার বাচ্চা এখন আমাদের কাছে । বাচ্চাকে জীবিত পেতে হলে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে,
বাবা বলবে: এর আগে আমি আমার ছেলের সাথে কথা বলতে চাই।
ছেলে ফোনে বলবে: হ্যালো বাবা...আমাকে বাঁচাও আমাকে বাঁচাও... আমার খুব ভয় করছে ।
বাবা বলবেন: খোকা ভয় পেও না... তোমার কিচ্ছু হবে না।
কিন্তু ইফাত বড় হয়ে গেছে...সে এখন কলেজে পড়ে । সে ফোনে তার বাবাকে কি বলবে তা ভাবছে । যদি বাবাকে বলে: সে ভয় পাচ্ছে তাহলে তার প্রেস্টিজ এর পাংচার হবে, তাই ইফাত ঠিক করেছে সে ফোনে বাবাকে বলবে: বাবা তুমি টেনশন করো না... আমি মোটেও ভয় পাচ্ছি না ।
চশমা পড়া এক লোক ঘরে ঢুকলো । ইফাতের কাছে এসে বসল এবং বলল:
-তোর নাম ইফাত না ?
-- জ্বি আমার নাম ইফাত, ইফাত চক্রবর্তী ।
- বেশি কথা বলবি না। যা প্রশ্ন করছি তার উত্তর দিবি...ব্যস।
-- আমি তো প্রশ্নের উত্তরটাই দিলাম... ইফাত চক্রবর্তী আমার নাম ।
- আবার কথা বলে ।
-- তাইলে আমি কথা বলব না ?
- ইশ্শ্ ... কথা বলবি না কেলা ? যা জিগাই তার উত্তর দিবি খালি...
-- জ্বি অবশ্যই...উত্তর দিব ।
- তোর বাবার মোবাইল নাম্বার জানিস ?
-- জ্বি জানি ।
- নাম্বার বল ।
-- কোনটা বলব ?
- মানে ?
-- বাবার দুইটা সিম আছে। একটা গ্রামীণ আর একটা এয়ারটেল ।
- কোনটাতে ফোন দিলে তোর বাবাকে পামু ?
-- গ্রামীণে ।
- তাইলে গ্রামীণ নাম্বারটা দে ।
-- ০১৭১......
বাবাকে ফোন দিয়ে বলল: আপনার ছেলে আমার কাছে আছে । যদি ছেলের ভাল চান তাহলে মন দিয়ে শুনেন কি করতে হবে । পুলিশকে এই বিষয়ে জানাবেন না...যদি জানান আর আমরা সেই বিষয়ে টের পাই তাহলে মনে রাখিয়েন, আপনার ছেলেকে আর জীবিত পাবেন না। কাল সন্ধ্যার মধ্যে ১০ লাখ টাকা রেডি রাখবেন। আমরা ফোন করে জানাবো কখন এবং কোথায় তা নিয়ে আসতে হবে ।
তারপর লোকটা ইফাতের কানে মোবাইল লাগিয়ে বলল বাপের লগে কথা বল ।
ইফাত ফোনে বাবাকে বলল: বাবা তুমি টেনশন করো না। আমি মোটেও ভয় পাচ্ছি না । মাকে বলিও আমি ভাল আছি । আচ্ছা রাখি বাবা, পরে কথা হবে, ভাল থাক- আল্লাহ হাফেজ ।
লোকটা কল কেটে দিয়ে হা করে ইফাতের দিকে তাকিয়ে আছে । বুঝতে পারছে না ছেলেটা কয় কি ? লোকটা রেগে গিয়ে ইফাতকে বলল:
-ওই ফাজিল ছেলে, তুই কি জানোস তুই ছিনতাই হইছোস ?
-- হ্যাঁ, জানি তো ।
-তাইলে তুই ভয় পাস নে কেনে ?
-- বাবা কালকে টাকা নিয়ে আসবে, আপনারা আমাকে ছেড়ে দিবেন...এতে ভয় পাওয়ার কি আছে ?
- যদি আমরা তোরে মাইরা ফেলি ?
-- আপনারা আমাকে কেন খামাখা মারবেন ?
- যদি তোর বাপ টাকা না দেয়ে ?
-- যদি টাকা দেয়ে তাহলে ভয় পাব...আপাতত ভয় পাচ্ছি না ।
লোকটা মাথা চুলকাইতে চুলকাইতে উঠে চলে গেল । এখন ইফাতের সামনে যে লোকটা বসে আছে তার মাথায় একটাও চুল নাই, স্বাস্থ্য মাশ্আল্লাহ ভাল, গুলগাল চেহারা । লোকটা বসে বসে সিগারেট টানছিল তখন ইফাত লোকটাকে ডাকদিল ।
লোকটা ইফাতের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল: কি হইছে ?
-পেশাব ধরছে...পেশাব করব ।
--সাথে সাথে লোকটা ইফাতের পেন্ট খুলতে শুরু করল ।
- আপনি এইটা কি করছেন ? থাক পেশাব করব না ।
-- লোকটা ইফাতের পেন্ট টান দিয়ে খুলে একটা খালি বোতলের মুখ আগায় লাগিয়ে বলল: কর, পেশাব কর ।
- ইফাত বোতলে পেশাব করল ।
--লোকটা ইফাতের পেন্ট আবার লাগিয়ে দিল ।
- আমার যদি হাগু পায় তাইলে কি ভাবে করব ?
-- লোকটা ঠাস করে একটা চড় বসিয়ে দিল ইফাতের গালে ।
ইফাত আর কোন কথা বলল না। এখন ইফাত্ একটু একটু ভয় পাচ্ছে । হাগু ধরলে কি করবে সেই টেনশন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে ।
রাতে ইফাতের হাত পা খুলে দেয়া হল। বিরিয়ানি আনা হয়েছে । সবাই এক সাথে বসে খাওয়া দাওয়া করছে । ইফাত খুব মজা করেই তাদের সাথে বসে বিরিয়ানি খাচ্ছে । ইফাত ঐ চশমা পড়া লোকটাকে বলল: দাদা, green chilli আছে ?
লোকটা ইফাতের দিকে বিস্ময়ের সাথে তাকিয়ে আছে । ইফাত কি চাইলো লোকটা বুঝতে পারে নাই । একে অন্যের দিকে চাওয়া চাওয়ি করল কিন্তু কেও বুঝতে পারলো না ।
-কি চিলি কইলি ?
--গ্রিন চিলি।
- গ্রিন চিলি কি ?
- আরে গ্রিন চিলি বুঝেন না ? গ্রিন চিলির মানে হচ্ছে: কাঁচামরিচ । আছে ?
লোকটা তার বিরিয়ানির প্যাকেট থেকে কাঁচামরিচ ইফাতকে দিল ।
ইফাত জিজ্ঞেস করল: আপনারা এই দশ লাখ টাকা দিয়ে কি করবেন ?
কেউ কোন কথা বলল না ।
খাওয়া দাওয়ার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়ল । ইফাতের সাথে গল্প করতে করতে তারা ভুলেই গেল যে ইফাতকে তারা ছিনতাই করে এনেছে । তাকে বেঁধে রাখতে ভুলে গেল । ইফাত তাদের সাথে ঘুমিয়ে পড়ল । সকালে সবাই ঘুমাচ্ছে তখন চশমা-ওয়ালা লোকটা ঘুম থেকে উঠে দেখে ইফাত নাই। বাইরে বের হয়ে দেখে ইফাত টয়লেটে ।
ইফাত টয়লেট থেকে বের হয়ে বলল: শামিম ভাই গুড মর্নিং ।
শামিম হা করে তাকিয়ে আছে ।
-শামিম ভাই, চল, কোন রেস্টুরেন্ট থেকে নাস্তা করে আসি । খুব খিদা লাগছে ।
শামিম আর ইফাত গেল রেস্টুরেন্টে। বসে বসে নাস্তা করছিল তখন ইফাত বলল:
শামিম ভাই, তুমি কি জান আমার বাবার কাছে কোন টাকা নাই । দিদি’র বিয়ের জন্য কিছু টাকা জমিয়েছিল বাবা। দিদি’র বিয়ের কথাবার্তা চলছে, আপনাকে টাকা দেয়ার পরে দিদির বিয়ে ভেঙ্গে যেতে পারে ।
-শামিম কোন কথা বলল না।
সারাদিন ইফাতের সাথে লুডু আর ক্যারাম খেলল শামিমের দলের সকল সাঙ্গপাঙ্গ’রা । হাসি ঠাট্টা’র মধ্যে কাটলো সারাটাদিন ।
সন্ধ্যায় ইফাতের বাবা ১০ লাখ টাকা নিয়ে এসেছেন ইফাতকে ছাড়িয়ে নিতে । যাওয়ার সময় শামিম ইফাতকে একটা কেটবেরি চকলেট দিল এবং সাথে তার বাবাকে ৯ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে বলল: মেয়ের বিয়ের জন্য শুভকামনা রইল ।
ইফাত এখন হাত-পা বান্ধা অবস্থায় আছে । কথায় আছে সে জানে না। তার সামনে কিছু গুণ্ডা টাইপের লোক দাঁড়িয়ে আছে । সে টিভিতে দেখেছে এরা ছোট বাচ্চাদেরকে ধরে নিয়ে এসে ঘরে ফোন করে বলে: আপনার বাচ্চা এখন আমাদের কাছে । বাচ্চাকে জীবিত পেতে হলে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে,
বাবা বলবে: এর আগে আমি আমার ছেলের সাথে কথা বলতে চাই।
ছেলে ফোনে বলবে: হ্যালো বাবা...আমাকে বাঁচাও আমাকে বাঁচাও... আমার খুব ভয় করছে ।
বাবা বলবেন: খোকা ভয় পেও না... তোমার কিচ্ছু হবে না।
কিন্তু ইফাত বড় হয়ে গেছে...সে এখন কলেজে পড়ে । সে ফোনে তার বাবাকে কি বলবে তা ভাবছে । যদি বাবাকে বলে: সে ভয় পাচ্ছে তাহলে তার প্রেস্টিজ এর পাংচার হবে, তাই ইফাত ঠিক করেছে সে ফোনে বাবাকে বলবে: বাবা তুমি টেনশন করো না... আমি মোটেও ভয় পাচ্ছি না ।
চশমা পড়া এক লোক ঘরে ঢুকলো । ইফাতের কাছে এসে বসল এবং বলল:
-তোর নাম ইফাত না ?
-- জ্বি আমার নাম ইফাত, ইফাত চক্রবর্তী ।
- বেশি কথা বলবি না। যা প্রশ্ন করছি তার উত্তর দিবি...ব্যস।
-- আমি তো প্রশ্নের উত্তরটাই দিলাম... ইফাত চক্রবর্তী আমার নাম ।
- আবার কথা বলে ।
-- তাইলে আমি কথা বলব না ?
- ইশ্শ্ ... কথা বলবি না কেলা ? যা জিগাই তার উত্তর দিবি খালি...
-- জ্বি অবশ্যই...উত্তর দিব ।
- তোর বাবার মোবাইল নাম্বার জানিস ?
-- জ্বি জানি ।
- নাম্বার বল ।
-- কোনটা বলব ?
- মানে ?
-- বাবার দুইটা সিম আছে। একটা গ্রামীণ আর একটা এয়ারটেল ।
- কোনটাতে ফোন দিলে তোর বাবাকে পামু ?
-- গ্রামীণে ।
- তাইলে গ্রামীণ নাম্বারটা দে ।
-- ০১৭১......
বাবাকে ফোন দিয়ে বলল: আপনার ছেলে আমার কাছে আছে । যদি ছেলের ভাল চান তাহলে মন দিয়ে শুনেন কি করতে হবে । পুলিশকে এই বিষয়ে জানাবেন না...যদি জানান আর আমরা সেই বিষয়ে টের পাই তাহলে মনে রাখিয়েন, আপনার ছেলেকে আর জীবিত পাবেন না। কাল সন্ধ্যার মধ্যে ১০ লাখ টাকা রেডি রাখবেন। আমরা ফোন করে জানাবো কখন এবং কোথায় তা নিয়ে আসতে হবে ।
তারপর লোকটা ইফাতের কানে মোবাইল লাগিয়ে বলল বাপের লগে কথা বল ।
ইফাত ফোনে বাবাকে বলল: বাবা তুমি টেনশন করো না। আমি মোটেও ভয় পাচ্ছি না । মাকে বলিও আমি ভাল আছি । আচ্ছা রাখি বাবা, পরে কথা হবে, ভাল থাক- আল্লাহ হাফেজ ।
লোকটা কল কেটে দিয়ে হা করে ইফাতের দিকে তাকিয়ে আছে । বুঝতে পারছে না ছেলেটা কয় কি ? লোকটা রেগে গিয়ে ইফাতকে বলল:
-ওই ফাজিল ছেলে, তুই কি জানোস তুই ছিনতাই হইছোস ?
-- হ্যাঁ, জানি তো ।
-তাইলে তুই ভয় পাস নে কেনে ?
-- বাবা কালকে টাকা নিয়ে আসবে, আপনারা আমাকে ছেড়ে দিবেন...এতে ভয় পাওয়ার কি আছে ?
- যদি আমরা তোরে মাইরা ফেলি ?
-- আপনারা আমাকে কেন খামাখা মারবেন ?
- যদি তোর বাপ টাকা না দেয়ে ?
-- যদি টাকা দেয়ে তাহলে ভয় পাব...আপাতত ভয় পাচ্ছি না ।
লোকটা মাথা চুলকাইতে চুলকাইতে উঠে চলে গেল । এখন ইফাতের সামনে যে লোকটা বসে আছে তার মাথায় একটাও চুল নাই, স্বাস্থ্য মাশ্আল্লাহ ভাল, গুলগাল চেহারা । লোকটা বসে বসে সিগারেট টানছিল তখন ইফাত লোকটাকে ডাকদিল ।
লোকটা ইফাতের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল: কি হইছে ?
-পেশাব ধরছে...পেশাব করব ।
--সাথে সাথে লোকটা ইফাতের পেন্ট খুলতে শুরু করল ।
- আপনি এইটা কি করছেন ? থাক পেশাব করব না ।
-- লোকটা ইফাতের পেন্ট টান দিয়ে খুলে একটা খালি বোতলের মুখ আগায় লাগিয়ে বলল: কর, পেশাব কর ।
- ইফাত বোতলে পেশাব করল ।
--লোকটা ইফাতের পেন্ট আবার লাগিয়ে দিল ।
- আমার যদি হাগু পায় তাইলে কি ভাবে করব ?
-- লোকটা ঠাস করে একটা চড় বসিয়ে দিল ইফাতের গালে ।
ইফাত আর কোন কথা বলল না। এখন ইফাত্ একটু একটু ভয় পাচ্ছে । হাগু ধরলে কি করবে সেই টেনশন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে ।
রাতে ইফাতের হাত পা খুলে দেয়া হল। বিরিয়ানি আনা হয়েছে । সবাই এক সাথে বসে খাওয়া দাওয়া করছে । ইফাত খুব মজা করেই তাদের সাথে বসে বিরিয়ানি খাচ্ছে । ইফাত ঐ চশমা পড়া লোকটাকে বলল: দাদা, green chilli আছে ?
লোকটা ইফাতের দিকে বিস্ময়ের সাথে তাকিয়ে আছে । ইফাত কি চাইলো লোকটা বুঝতে পারে নাই । একে অন্যের দিকে চাওয়া চাওয়ি করল কিন্তু কেও বুঝতে পারলো না ।
-কি চিলি কইলি ?
--গ্রিন চিলি।
- গ্রিন চিলি কি ?
- আরে গ্রিন চিলি বুঝেন না ? গ্রিন চিলির মানে হচ্ছে: কাঁচামরিচ । আছে ?
লোকটা তার বিরিয়ানির প্যাকেট থেকে কাঁচামরিচ ইফাতকে দিল ।
ইফাত জিজ্ঞেস করল: আপনারা এই দশ লাখ টাকা দিয়ে কি করবেন ?
কেউ কোন কথা বলল না ।
খাওয়া দাওয়ার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়ল । ইফাতের সাথে গল্প করতে করতে তারা ভুলেই গেল যে ইফাতকে তারা ছিনতাই করে এনেছে । তাকে বেঁধে রাখতে ভুলে গেল । ইফাত তাদের সাথে ঘুমিয়ে পড়ল । সকালে সবাই ঘুমাচ্ছে তখন চশমা-ওয়ালা লোকটা ঘুম থেকে উঠে দেখে ইফাত নাই। বাইরে বের হয়ে দেখে ইফাত টয়লেটে ।
ইফাত টয়লেট থেকে বের হয়ে বলল: শামিম ভাই গুড মর্নিং ।
শামিম হা করে তাকিয়ে আছে ।
-শামিম ভাই, চল, কোন রেস্টুরেন্ট থেকে নাস্তা করে আসি । খুব খিদা লাগছে ।
শামিম আর ইফাত গেল রেস্টুরেন্টে। বসে বসে নাস্তা করছিল তখন ইফাত বলল:
শামিম ভাই, তুমি কি জান আমার বাবার কাছে কোন টাকা নাই । দিদি’র বিয়ের জন্য কিছু টাকা জমিয়েছিল বাবা। দিদি’র বিয়ের কথাবার্তা চলছে, আপনাকে টাকা দেয়ার পরে দিদির বিয়ে ভেঙ্গে যেতে পারে ।
-শামিম কোন কথা বলল না।
সারাদিন ইফাতের সাথে লুডু আর ক্যারাম খেলল শামিমের দলের সকল সাঙ্গপাঙ্গ’রা । হাসি ঠাট্টা’র মধ্যে কাটলো সারাটাদিন ।
সন্ধ্যায় ইফাতের বাবা ১০ লাখ টাকা নিয়ে এসেছেন ইফাতকে ছাড়িয়ে নিতে । যাওয়ার সময় শামিম ইফাতকে একটা কেটবেরি চকলেট দিল এবং সাথে তার বাবাকে ৯ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিয়ে বলল: মেয়ের বিয়ের জন্য শুভকামনা রইল ।






0 comments:
Post a Comment