RSS

#০০১৪

আজ এত অদ্ভুত সব জিনিস ঘটতেছে কেন ?

১) ভার্সিটি থেকে আসার পথে ব্যাংকে কাজ ছিল তাই ব্যাংকের কাজ শেষ করে বাসায় আসার জন্য রিক্সার খোঁজতেছি তখন একটা হলুদ পাঞ্জাবিওয়ালা লোক এসে আমারে লম্বা একটা সালাম দিল। আমি সালামের উত্তর দিলাম। লোকটা জিজ্ঞেস করল:
- কই যাবেন ?
-- খাসদবীর

বলতে না বলতেই ধুম করে রাস্তার মাঝখানে দিয়ে দিল দৌড়। কই থাইক্কা ধরে নিয়ে আইল একটা রিক্সা। আমি লোকটারে সালাম দিয়ে দিয়ে রিক্সায় উঠলাম আর সারাটা পথ ভাবছি কাহিনী ঘটল টা কি ?

২) দুপুরে ভাত খেয়ে বের হলাম আরও কিছু কাজে। বাসার সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি একজন পাঞ্জাবিওয়ালা এবং দাড়িওয়ালা লোক আমারে সালাম দিলেন। আমি সালামের উত্তর দিলাম। তিনি বড় বড় চোখে আমার দিকে চেয়ে বললেন:
- আপনি দাড়ি রেখে দিছেন ?

লোকটার কথা শুনে আমি পুড়াই থতমত খেয়ে গেলাম। কাহিনী কি রে বাপ? চিনি না জানি না অপরিচিত মানুষ এমন ভাব নিচ্ছে যেত আমি তাদেরকে অনেক দিন ধরে চিনি। আমি বললাম:
- জ্বি আলহামদুলিল্লাহ
-- সত্যি রাখছেন ? মানে নবীর সুন্নত হিসেবে রাখছেন ?
- জ্বি
-- মাশাআল্লাহ মাশাআল্লাহ, খুশি হইলাম ভাই।

এই বলে লোকটা চলে গেল...

৩) কাজ শেষ করে রিক্সাতে করে বাসায় ফিরছি তখন একটা ছোট্ট ছেলে দূর থেকে চিল্লাই উঠে বলল:
- আসসালামু আলাইকুম ভাই

আমিও সালামের উত্তর দিলাম। কিন্তু বিশ্বাস করেন পিচ্চিটারে আমি চিনি না। তারপরেও এইটা মেনে নেয়া যায় যে সালাম দেয়ার জন্য পরিচিত অথবা অপরিচিত লাগে না। সবাইরে সালাম দেয়া যায়... কিন্তু বাকি দুইটা কাহিনী কি ঘটল ?

মাথায় পুরা প্যাচ লেগে গেছে :\

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

শুভ্র এবং অনুর কাহিনী

ক্রিং ক্রিং ক্রিং

মোবাইলের রিংটোন শুনে শুভ্রের ঘুম ভেঙ্গে গেছে। মোবাইল হাতে নিয়ে দেখে অচেনা নাম্বার।

- হ্যালো
-- হ্যালো
- কে বলছেন ?
-- কে বলছি মানে ? আমাকে চিন না ?
- না চিনি না
-- ঢং কর ?
- নাম বললেই তো হয়, এত প্যাঁচাল মারার কি আছে ?
-- নাম বলতে হবে কেন ? নাম বলব না। নাম না শুনেই বলতে হবে আমি কে...
- নিজের নাম ভুলে গেছেন নাকি ?
-- আরে শুভ্র তুমি তো মহা ফাজিল হইছ...

[] শুভ্র এখন কিছুটা থতমত খেয়ে ফেলেছে। মেয়েটা তার নাম জানল কিভাবে ? নিশ্চয়ই কোন পরিচিত কেও...

কয়েকটা দিন ধরে শুভ্রের খুব সমস্যা হচ্ছে। ঘুম থেকে উঠে পরিচিত মানুষদের চিনতে পারে না। সেদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে একজন লোক তার রুমে বসে বসে কম্পিউটার চালাচ্ছেন।

কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল:
- আপনি কে ? আমার রুমে কেন ঢুকলেন ? আবার আমার কম্পিউটার অনুমতি ছাড়াই চালাচ্ছেন... আপনি কে ?

লোকটা চেয়ার থেকে উঠে উত্তর না দিয়েই এমন জোরে গালটায় থাপ্পড় দিল যে সাথে সাথে ঘুম চলে গেল এবং মনে পড়ল এই লোকটা তার চাচা...
তাও যেমন তেমন চাচা না, খসাই চাচা। খসাই চাচা হচ্ছেন শুভ্রদের বড় চাচা। ছোট বেলা থেকেই শুভ্র এবং তার বোন তাদের বড় চাচাকে ভয় পেত। কারণ বড় চাচা খুব রাগি মানুষ এবং দেখতে খসাইদের মত লাগে, কারণ বড় চাচার মুখে ইয়া লম্বা গোঁফ আছে একদম বাংলা সিনেমার খসাইদের মত।

[] হয়তো মোবাইলে যে মেয়েটা কথা বলছে সেও তার খুব পরিচিত কেও কিন্তু সে চিনতে পারছে না...

- শুভ্র ? তুমি এখনও চিনতে পার নাই ?
-- চিনছি তো, ঢং করছিলাম
- বলতো আমি কে ?
-- আরে চিনছি বললাম না ? কেমন আছ সেইটা বল ?
- আমার মনে হচ্ছে, তুমি এখনও চিনতে পার নাই... বল আমি কে ?
-- আরে বললাম তো চিনছি... এখন নামও বলতে হবে ?
- হুম্‌ বলতে হবে... বল, আমি কে ?
-- জানি না

এই কথা বলতে না বলতেই মেয়েটা কাঁদতে শুরু করল। আর শুভ্র মোবাইলটা রেখে দিয়ে বাথরুমে গেল ফ্রেস হতে। হাত মুখ ধুয়ে এসে মোবাইল হাতে নিয়ে বলল:
- হ্যালো
-- {মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে বলল } তুমি আমার সাথে আর কথা বলবা না। তোমার সাথে আর কোন কথা নাই...

এইটা বলেই লাইন কেটে গেল। শুভ্র চোখ বড় বড় করে আয়নার দিকে তাকাচ্ছে আর ভাবছে এইডা কি হইল ? অনুকে সে চিনতে পারল না ? আজকে নিশ্চয়ই তার খবর আছে ... সাথে সাথে কল বেক করল কিন্তু অনু কল রিসিভ করছে না...

একটা ম্যাসেজ পাঠালো-
anu, ghum theke ute ki ultapalta boksi bujhi nai... sorry

[] শুভ্র রেডি হয়েই ভার্সিটিতে চলে গেল । গিয়ে দেখে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে। অনু গোমরা মুখে লেকচার শুনছে। অনুর পাশের সিট খালি । কারণ অনুর পাশে একমাত্র শুভ্র বসে। অন্য কেও বসলে অনু তার ধারালো নখ দিয়ে খামচি মেরে বসে। এই ভয়ে অনুর পাশে কেও বসে না।

একবার এক ছেলের হাতে খামচি মেরে রক্ত বের করে দিয়েছিল। যার কারণে পরবর্তীতে অনেক ঝামেলাও হয়েছে।

শুভ্র নিজেও অনুকে ভয় পায়। অনুকে ভয় পাওয়ার অনেক কারণ আছে এর মধ্যে একটা কারণ হচ্ছে- যদি শুভ্রের কারণে অনুর মন খারাপ থাকে তাহলে অনুর মন ভাল করার একটাই উপায় হচ্ছে অনুকে সারাদিন নিয়ে ঘুরতে হয়।

আর সারাদিন নিয়ে ঘুরা মানে সারাদিন পথে-ঘাটে, পার্কে হাহাহাটি করা। আর হাটাহাটি শুভ্রের মোটেও পছন্দ না। কিন্তু কি আর করার অনু হচ্ছে তার বেস্ট ফ্রেন্ড। অথচ অনু শুভ্রকে পছন্দ করে, শুধু যে পছন্দ করে তা না- ব্যাপক ভালোবাসে...

শুভ্র চুপচাপ বসে আছে অনুর পাশে। কখন যে খামচি মেরে বসবে এই ভয়ে হাত দুইটা বেগের ভেতর ঢুকিয়ে রেখেছে। ক্লাস শেষে, অনু এবং শুভ্রের হাব ভাব দেখে এক বন্ধু এসে জিজ্ঞেস করল:
- কি রে শুভ্র ? কোন সমস্যা ?
-- না রে বেটা... কোন সমস্যা না।
- তাইলে বেগের ভেতর হাট ঢুকাই রাখছস কেন ?
-- ঠাণ্ডা লাগতেছে তো, তাই ঢুকাইছি
- তাইলে চল, বাইরে যাইতাছি,
-- তোরা যা, আমি আসতেছি

এই বলে শুভ্র বেগের ভেতর থেকে হাত বের করতে না করতেই অনু শুভ্রের হাত ধরল। শুভ্র ভয় পেয়ে সাথে সাথেই বলে উঠল:
- প্লিজ খামচাইও না। কই যাবা বল, আমি নিয়া যাব

অনু হাত ছেড়ে দিয়ে বলল-
- তাহলে চল
-- কোথায় ?
- জানি না

[] এমন ছিল শুভ্র এবং অনুর ভার্সিটির জীবন
কিন্তু ভার্সিটির শেষের দিকে অনু বুঝতে পারল শুভ্র কখনও অনুকে ভালবাসে নাই। অনু ছিল শুভ্রের কাছে শুধুই বন্ধু । তাই অনু কখনও শুভ্রকে বলেও নাই যে সে শুভ্রকে কতটা ভালবাসে...

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

#০০১৩

রাত ১২ টায় অনেক কষ্ট করে নিজের মনের সাথে যুদ্ধ করে, ঘুমিয়ে পড়লাম, ভাবলাম তাড়াতাড়ি উঠে নামাযে যেতে হবে, সকালে আবার ক্লাসও আছে । 

ঘুমের মধ্যে অনেক হিজিবিজি টাইপ স্বপ্ন দেখলাম। অনেক পুরনো কিছু বন্ধুদের মুখ দেখিলাম। দেখিলাম, ছাগলের বাজারে বসে বসে আড্ডা দিচ্ছি আর কলা খাচ্ছি... যেখানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম তার উপরে একটা জানালা আছে। একটু পর পর মানুষ এসে জানালা দিয়ে উঁকি মারে আর প্রত্যেক বার পানির ফোঁটা গালে এসে লাগে। বুঝতে পারলাম না পানি আসে কই থেকে। অবশেষে আড্ডা শেষে যখন উঠে দাড়ালাম তখন দেখি জানালার উপরে লিখা


" বমি করতে চাইলে এখানে বমি করুন "


লিখাটা পড়ার সাথে সাথেই ঘুম ভেঙ্গে গেলে বাথরুমে গেলাম। দাঁত ব্রাশ, করে ওজু করে, বাইরের দরজা খুলে দেখি এখনও অন্ধকার। ঘড়ির দিকে তাকাতেই মাথা নষ্ট। রাত এখন মাত্র ৩ টা ।


কি আর করার ঘুম থেকে উঠে গেছি মানে ঘুম আর সম্ভব না।...

তাই নিজে নিজে চা বানালাম...

এখন বসে বসে চা'য়ে চুবিয়ে বিস্কুট খাচ্ছি আর লিখছি...


#Diary

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ইসলামে দেশপ্রেম

[] specially for Muslim brothers & sisters []

বেশ কিছুদিন ধরে দেশপ্রেম নামক একটা পোকা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে শুরু করলাম এই পোকা'র বিস্তারিত গবেষণা... বিস্তারিত না জানলে সমস্যার সমাধান পাওয়া সম্ভব না।

পোকাটা ঢুকেছে কিছু দেশপ্রেম টাইপের ভিডিও দেখে। ভিডিও দেখে মনে হল, দেশের জন্য কিছুই করা হয় নি ? যে দেশের আলো,বাতাস, সবকিছুই আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে সেই দেশের জন্য কি করিলাম ? আমি কি আসলেই আমার দেশটাকে ভালোবাসি ?

পোকাটা যে ঢুকলও আর বের হওয়ার নামও নেয়ে না। সারাক্ষণ ডিপ্রেশন কাজ করে, কিছু একটা করা উচিত দেশের জন্য। কিন্তু না কিছু করতে পারি না পোকাটারে মারতে পারি...

তাই ঠিক করলাম, মূল সমস্যাটা আসলে কোন যায়গাতে সেইটা বের করতে হবে।

[] গবেষণার প্রথম প্রশ্ন: " ধর্ম আগে না দেশপ্রেম আগে" ?
- অবশ্যই ধর্ম সবার আগে

[] গবেষণার দ্বিতীয় প্রশ্ন: "দেশপ্রেম কি" ?
এই প্রশ্নের উত্তর কয়েকটা ভাগে ভাগ করা যায়:
১) নিজের দেশকে ভালোবাসা
২) নিজের মাতৃভাষাকে ভালোবাসা
৩) নিজের দেশের মানুষকে ভালোবাসা
৪) নিজের দেশের সংবিধানকে মেনে চলা
৫) নিজের দেশের স্বার্থে কাজ করা

এখন আসেন এই উত্তরের বিস্তারিত আলোচনায়:

প্রথম পয়েন্ট- নিজের দেশকে ভালোবাসা ।
এই পয়েন্টে কোন সুস্থ মস্তিষ্ক মানুষের আপত্তি থাকার কথা না। নিজের যায়গা, নিজের দেশকে সবাই ভালোবাসে যদি না সে অসুস্থ থাকে...

দ্বিতীয় পয়েন্ট- নিজের মাতৃভাষাকে ভালোবাসা
ছোট বেলা থেকে যে ভাষায় কথা বলে বড় হয়েছি, যে ভাষায় প্রথম মা এবং বাবাকে ডাকতে শিখেছি সেই ভাষাকে কে না ভালোবাসে ? সেই একই কথা, কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে নিজের মাতৃভাষাকে ভাল না বাসা সম্ভব না।

তৃতীয় পয়েন্ট: "নিজের দেশের মানুষকে ভালোবাসা"
নিজের কাছের মানুষদের প্রতি আপনা আপনি একটা ভালোবাসা জন্মায়, তাই এই পয়েন্টেও কোন সমস্যা নাই

চতুর্থ পয়েন্ট: "নিজের দেশের সংবিধানকে মেনে চলা"
এই চতুর্থ পয়েন্টে এসে লাগল খটকা। একজন মুসলিম হিসেবে আল্লাহ'র দেয়া সংবিধান ব্যতীত আর কোন সংবিধানকে মানা একজন প্রকৃত মুসলিম এর জন্য সম্ভব নয়। কিন্তু বাধ্য হয়ে আমাদেরকে সংবিধান মানতে হয় সেইটা আলাদা কথা। কারণ আমাদের দেশ ইসলামিক রাষ্ট্র নয়। { অর্থাৎ এই পয়েন্টের আলোকে "আমি দেশপ্রেমিক নই" কিন্তু তাতে সমস্যা নাই, কারণ সবকিছুর উর্ধ্বে আমার ধর্ম }

পঞ্চম পয়েন্ট: "নিজের দেশের স্বার্থে কাজ করা"
এই পয়েন্টেও লাগছে খটকা। সেটাও আবার যেমন তেমন খটকা না একটা বিশাল খটকা। এতদিনের পুরা চিন্তা ভাবনা চেতনা উলট পালট হয়ে গেছে এই পয়েন্টে এসে।

একজন মুসলিম হিসেবে আমার আল্লাহ আমাকে আদেশ দেন শুধু আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সবকিছু করতে হবে। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কোন কিছুই করা যাবে না। এবং সেইটা নিজের মা'কে ভালোবাসা থেকে শুরু করে যাবতীয় সকল ভাল কাজ হবে একমাত্র আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য।

অর্থাৎ, নিজের দেশকে ভালবাসতে হবে শুধু আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ।
নিজের দেশের মানুষকে ভালবাসতে হবে আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ।
নিজের দেশের মানুষকে সাহায্য করতে হবে আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ।
নিজের দেশের স্বার্থে কিছু করলেও সেটা হতে হবে একমাত্র আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ।

{} মূলকথা:
দেশের জন্য কি করলাম সেইটা ভেবে সময় নষ্ট করার দরকার নাই, আল্লাহ'র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আমি কি করলাম সেইটা ভাবা উচিত। কারণ অবশেষে ঘুরেফিরে যেতে হবে ওই আল্লাহ'র কাছেই.. ... ...

{ একটা ছোট্ট কথা বাকি রয়ে গেছেঃ
"দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ" এইটা কোন হাদিস নয়। হাদিস মনে করে, বিভ্রান্ত হবেন না ... } —

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

#0012

কক্সবাজার যাব তাই আম্মারে কইলাম: 

- আম্মা বৃহস্পতিবার কক্সবাজার যাচ্ছি
-- কাদের সাথে ?
- বন্ধুদের সাথে ...
-- টাকা কে দিব ?
- ভাইয়া
-- তাইলে সমস্যা না, পারলে আজকেই যা...
- কিন্তু কিঞ্চিত সমস্যা আছে
-- মানে ?
- ভাইয়া কইছে, তোমার কাছ থেকে টাকা নিয়া নিতে, ভাইয়া পরে টাকা পাঠাইব...
-- দরকার নাই কক্সবাজার যাওয়ার... গিয়া বন্ধুদের সাথে ফুর্তি করতে গিয়া সমুদ্রে ডুইবা মরার দরকার নাই... আর তুই এখন কক্সবাজার যাবি কেন ? তোর ভার্সিটি নাই ?


[] আমি আর কথা প্যাচাইলাম না, আমি আর বলবও না টাকা দেয়ার জন্য কারণ আমি জানি আম্মা টাকা দিবে। কিন্তু এখন দিবে না। বেগ টেগ গোছগাছ করে যেদিন কক্সবাজার যাওয়ার জন্য আম্মার কাছ থেকে বিদায় নিব তখন আম্মা এমনিতেই টাকা বের করে দিবে... ... ...

আরও কিছু টাকা এক্সট্রা দিয়ে বলবে- এই টাকা যেন আবার ফিরত আমার কাছে আসে বলে দিলাম।
কিন্তু আম্মা নিজেও জানে এইটা আর ফিরবে না 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

#0011

একটু আগে চা টা খাইয়া বন্ধুর বাসায় গেলাম । বন্ধুর বাসায় ঢুকার সময় হটাৎ কইরা বন্ধু কইল:
- আব্বা মনে হয় পাগল হয়ে গেছে রে

বন্ধুর বাবা’র শরীর খুব খারাপ ছিল জানতাম কিন্তু এতই খারাপ ছিল জানতাম না, পাগল হয়ে গেল কেমনে ? জিজ্ঞেস করলাম:
- কি হইছে ?
-- সকালে হটাৎ দেখি আব্বা বাসায় নাই ।
- তাইলে ? কথায় গেছিল ?
-- পরে দেখি বাজার থেকে লম্বা দুইটা বাঁশ কিনে নিয়ে আইছে
- কেন ?
-- হাস মুরগীর ঘর নাকি বানাইব

বন্ধুর কথা শুইনা আমি হাসতে হাসতে শেষ। বন্ধুরে কইলাম:
- সমস্যা না, বয়স হইলে মানুষ এই রকম করে ।
-- আর কইছ না, আব্বার শরীর খারাপ, বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজ নাই তাই উল্টা পাল্টা কাজ শুরু করছে। আবার আমারে কয় হাস-মুরগির খেয়াল রাখতে...

[] বেচারা বন্ধুর জন্য কষ্ট হইতাছে । কয়দিন পর থেকে হাস-মুরগি লালন পালন করতে হইব । হাস-মুরগির বিষ্ঠাও পরিষ্কার করিতে হইতে পারে । 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

#0010

আম্মা মাঝে মাঝে কি যে করে, বুঝি না... আমার সাথেই লাগতে হবে সবসময়। দুনিয়ায় আর কেও পায় না আমারে নিয়া যত উদ্ভট চিন্তা 

এই একটু আগে ঘরে এসে দেখি চাচা, চাচি আর আম্মা রাতের খাওয়া দাওয়া শেষে বসে বসে গল্প করতেছে। হাত মুখ ধুয়ে খাইতে বসলাম।

হটাৎ আমারে দেখে আম্মার মাথায় কি ঢুকল সাথে সাথে বলে উঠলেন:
- এই ছেলেটা দেখতে কার মত হইছে ?

[] প্রশ্ন করতে না করতেই আমারে নিয়া চাচা আর চাচি গবেষণা শুরু করলেন।

চাচা বললেন: হেফাজত ইসলামের মত দেখতে !!!
চাচি বললেন: আগে ছিল বাপের মত এখন মুখের কাটিং বদলে গেছে...

{} আমি আর কোন কথা কইলাম না। পুরাই কনফিউজড !!! 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

#0009

ছোট্ট একটা কিউট মেয়ে আমার পাশে বসে বসে মেঙ্গো জুস খাচ্ছে। আমি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলাম:

- নাম কি তোমার ?
-- সাবিনা
- তুমি কি আমাকে চেন ?
-- না
- তাহলে আমার সাথে কথা বলতে ভয় করছে না ?
-- নাহ, ভয় করবে কেন ?
- আমি যদি তোমাকে নিয়ে যাই
-- তুমি আমাকে নিতে পারবে না, আমার বাবা তোমাকে মারবে
- তোমার বাবা কে ?
-- আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে বলল: ঐ যে আমার বাবা

আমি চাইয়া দেখি আর্মি ড্রেস পড়া একজন তাগড়া লোক আমার দিকে তাকিয়ে আছেন সন্দেহের চোখে। আমি সাথে সাথে চা অর্ধেক রেখেই হাটা শুরু করলাম।

[] ফাজিল মেয়ে, আমারে বলে তার বাপ আমারে মারব 
আমি ভয় পাই নাকি তার বাপরে ? 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS