একি রে আজব ?
-কি হইছে ভাই ?
ঘুম আহে না কেন ?
- আমি কেমনে কমু ভাই? আমার ঘুম আইছে, আমি ঘুমাই।
ঘুমা ঘুমা...সালা, ঘুমাইতে ঘুমাইতে একদিন এই ঘুমেই মইরা যাবি।
- নাক ডাকার গর্র্ গর্র্ শব্দ ছাড়া কিছুই পেলুম না।
এই আজবটা কেও না। যখন একা একা থাকি কাল্পনিক চরিত্রের সাথে কথা বলতে বেশ ভাল লাগে। আমি বাইরে গিয়ে চেয়ার এ বসে বসে বৃষ্টি দেখতে লাগলাম। সেহরি খেয়ে নামাজ পড়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। অথচ আমি ঘুমুতে পারছি না।
বৃষ্টির ফোটা চাচি'র ঘরের চালের উপর পড়ে যে ঝংকার সৃষ্টি হচ্ছে তার আওয়াজ আমার কানে গুলির আওয়াজের মত এসে বিধল।
যুদ্ধের সময়। জামাল সাহেব উনার দু'বাচ্চা আর স্ত্রীকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসেছেন। উনার স্ত্রীর নাম কামিলা আর উনার দু জমজ ছেলে নাম সুফিয়ান আর নাহিয়ান।
বাইরে প্রচন্ড ধরনের ঝড় হচ্ছে। ঘরের দরজা জানালা সবকিছুই বন্ধ অথচ শাঁ শাঁ বাতাসের শব্দ ভিতর পর্যন্ত আসছে। ঝড়ের তেজ হাওয়া ঘরের চাল গুলো যেন এক্ষনি উড়িয়ে নিয়ে যাবে এমন ভাব।
হটাৎ দরজায় ধাক্কার আওয়াজ শুনা গেল।
জামাল সাহেব বললেনঃ কে ?
বাইরে থেকে অনেক মানুষের চিল্লাচিল্লির আওয়াজ শুনা যাচ্ছে ।
কামিলা আর দু'ছেলেকে ঘরের পিছনের দরজা দিয়ে বের করে দিয়ে ঘরের দরজা খুললেন জামাল সাহেব।
কয়েকটা পাক হানাদার আর তাদের মসজিদের মুয়াজ্জিন সত্তার হোসেন ঘরের ভেতরে ঢুকলেন।
ঘরের ভেতর অনেক খোঁজাখোঁজি করার পর পাক হানাদার বাহিনী কাওকে খুজে পেল না বিধায় মোয়াজ্জিন সাহবের উপর বজ্রকন্ঠে হুঙ্কার দিয়ে তাদের এক অফিসার বললঃ ইহা তো কয়ি নেহি হে । কাহা হে উস্কা বিবি ?
সত্তার সাহেব কাপতে কাপতে জিজ্ঞেশ করলেনঃ তুমার বৌ-বাচ্চারা কই মাস্টর সাহেব?
জামাল সাহেব ভয়ে ভয়ে উত্তর দিলেনঃ তারা তো বাড়িতে চলে গেছে।
বাড়ি কই ?
-নেত্রকোণা।
মোয়াজ্জ্বিন সাহেব পাক হানাদার বাহিনিকে বললেনঃ মাস্টর নাকি তার বিবি বাচ্চাকা ভাগান দিছে।
হানাদার খেপে গিয়ে বললঃ হামারে সাথ ঝুট ? হামারে সাথ ঝুট ?
এই বলে গলায় ধরে মোয়াজ্জ্বিনকে ঘরের উঠানে নিয়ে গিয়ে কপালে গুলি করে হত্যা করল ।
তারা তখন চলে যাবে ঠিক তখন আরো কিছু পাক হানাদার জামাল সাহেবের বৌ কামিলা আর ছোট ছেলে নাহিয়ানকে ধরে নিয়ে এল।
জামাল সাহেব দৌড়ে গিয়ে স্ত্রীকে ছাড়াবার চেষ্টা করেন কিন্তু পারলেন না। উনার স্ত্রীর সামনে উনার ছোট ছেলে আর জামাল সাহেবকে গুলি করে মারা হল।
জামাল সাহেব মাটিতে শুয়ে শুয়ে তাকিয়ে দেখছেন এক দিকে উনার ছোট ছেলে নাহিয়ানের রক্তাক্ত লাশ ওপর দিকে পাক হানাদার কুত্তারা উনার বউ কে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।
উনি চিৎকার করিতে লাগিলেন... ইয়া আল্লাহ !!! ইয়া আল্লাহ !!! ইয়া আল্লাহ !!!
এবং অবশেষে আস্তে আস্তে অন্ধকার হইতে লাগিল...
[ হটাৎ করেই কাহিনীটা মাথায় এসে চাপলো বিধায় লেখিয়া ফেলিলাম ]
-কি হইছে ভাই ?
ঘুম আহে না কেন ?
- আমি কেমনে কমু ভাই? আমার ঘুম আইছে, আমি ঘুমাই।
ঘুমা ঘুমা...সালা, ঘুমাইতে ঘুমাইতে একদিন এই ঘুমেই মইরা যাবি।
- নাক ডাকার গর্র্ গর্র্ শব্দ ছাড়া কিছুই পেলুম না।
এই আজবটা কেও না। যখন একা একা থাকি কাল্পনিক চরিত্রের সাথে কথা বলতে বেশ ভাল লাগে। আমি বাইরে গিয়ে চেয়ার এ বসে বসে বৃষ্টি দেখতে লাগলাম। সেহরি খেয়ে নামাজ পড়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। অথচ আমি ঘুমুতে পারছি না।
বৃষ্টির ফোটা চাচি'র ঘরের চালের উপর পড়ে যে ঝংকার সৃষ্টি হচ্ছে তার আওয়াজ আমার কানে গুলির আওয়াজের মত এসে বিধল।
যুদ্ধের সময়। জামাল সাহেব উনার দু'বাচ্চা আর স্ত্রীকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসেছেন। উনার স্ত্রীর নাম কামিলা আর উনার দু জমজ ছেলে নাম সুফিয়ান আর নাহিয়ান।
বাইরে প্রচন্ড ধরনের ঝড় হচ্ছে। ঘরের দরজা জানালা সবকিছুই বন্ধ অথচ শাঁ শাঁ বাতাসের শব্দ ভিতর পর্যন্ত আসছে। ঝড়ের তেজ হাওয়া ঘরের চাল গুলো যেন এক্ষনি উড়িয়ে নিয়ে যাবে এমন ভাব।
হটাৎ দরজায় ধাক্কার আওয়াজ শুনা গেল।
জামাল সাহেব বললেনঃ কে ?
বাইরে থেকে অনেক মানুষের চিল্লাচিল্লির আওয়াজ শুনা যাচ্ছে ।
কামিলা আর দু'ছেলেকে ঘরের পিছনের দরজা দিয়ে বের করে দিয়ে ঘরের দরজা খুললেন জামাল সাহেব।
কয়েকটা পাক হানাদার আর তাদের মসজিদের মুয়াজ্জিন সত্তার হোসেন ঘরের ভেতরে ঢুকলেন।
ঘরের ভেতর অনেক খোঁজাখোঁজি করার পর পাক হানাদার বাহিনী কাওকে খুজে পেল না বিধায় মোয়াজ্জিন সাহবের উপর বজ্রকন্ঠে হুঙ্কার দিয়ে তাদের এক অফিসার বললঃ ইহা তো কয়ি নেহি হে । কাহা হে উস্কা বিবি ?
সত্তার সাহেব কাপতে কাপতে জিজ্ঞেশ করলেনঃ তুমার বৌ-বাচ্চারা কই মাস্টর সাহেব?
জামাল সাহেব ভয়ে ভয়ে উত্তর দিলেনঃ তারা তো বাড়িতে চলে গেছে।
বাড়ি কই ?
-নেত্রকোণা।
মোয়াজ্জ্বিন সাহেব পাক হানাদার বাহিনিকে বললেনঃ মাস্টর নাকি তার বিবি বাচ্চাকা ভাগান দিছে।
হানাদার খেপে গিয়ে বললঃ হামারে সাথ ঝুট ? হামারে সাথ ঝুট ?
এই বলে গলায় ধরে মোয়াজ্জ্বিনকে ঘরের উঠানে নিয়ে গিয়ে কপালে গুলি করে হত্যা করল ।
তারা তখন চলে যাবে ঠিক তখন আরো কিছু পাক হানাদার জামাল সাহেবের বৌ কামিলা আর ছোট ছেলে নাহিয়ানকে ধরে নিয়ে এল।
জামাল সাহেব দৌড়ে গিয়ে স্ত্রীকে ছাড়াবার চেষ্টা করেন কিন্তু পারলেন না। উনার স্ত্রীর সামনে উনার ছোট ছেলে আর জামাল সাহেবকে গুলি করে মারা হল।
জামাল সাহেব মাটিতে শুয়ে শুয়ে তাকিয়ে দেখছেন এক দিকে উনার ছোট ছেলে নাহিয়ানের রক্তাক্ত লাশ ওপর দিকে পাক হানাদার কুত্তারা উনার বউ কে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।
উনি চিৎকার করিতে লাগিলেন... ইয়া আল্লাহ !!! ইয়া আল্লাহ !!! ইয়া আল্লাহ !!!
এবং অবশেষে আস্তে আস্তে অন্ধকার হইতে লাগিল...
[ হটাৎ করেই কাহিনীটা মাথায় এসে চাপলো বিধায় লেখিয়া ফেলিলাম ]






0 comments:
Post a Comment