তিতা পোস্ট । অনেকে হয়ত পড়ে বিরক্ত বোধ করতে পারেন। তাই প্রথমেই বলে নিচ্ছি এই পোস্ট পড়ে কেউ কোন রস পাবেন না। সাবধান ।
ভার্সিটিতে যাব। আমি আর আমার এক বন্ধু রিক্সার জন্য দাড়িয়ে আছি। অনেকক্ষন থেকে দাড়িয়ে আছি। কোন রিক্সা পাচ্ছি না। শেষ পর্যন্ত একটা পেলাম।
ড্রাইভার যাবা?
যামু কই যাইবেন?
মেডিকেল।
এ কথা বলার পরেই আমি আর আমার বন্ধু রিক্সায় উঠে পড়লাম। ড্রাইভার তখন সাথে সাথে জিজ্ঞেস করল,
ভাই ভাড়া কত দিবেন?
ভাড়া যত তত পাবেন।
না ভাই তারপরেও বলুন ।
আমি বললাম আপনার কত লাগবে ?
ভাই ২৫ টাকা দিয়েন ।
আচ্ছা ঠিক আছে দেব।
রিক্সায় উঠার পর ড্রাইভার বলতে লাগল,
“ভাইজানেরা এখন এমন দিনকাল পড়ছে কেউ সঠিক ভাড়া দিতে চায় না।“
আরো অনেক কথা । আমি ঐ দিকে যাচ্ছি না।
যাই হোক আমারা আমাদের জায়গাতে এসে পৌঁছালাম। রিক্সা থেকে নেমে ২৫ টাকার জায়গায় ৩০ টাকা দিলাম। লোকটা কোন কথা না বলে আমার দিকে তাকিয়ে একটা সালাম দিয়ে বলল “ ভাই আপনাকে সালাম দিলাম”
আমার হা করে দাড়িয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।
এখন প্রশ্ন হল মাত্র ৫ টাকা বেশী দেওয়ার কারনে সে কেন আমাকে সালাম দিবে???
বাসার খরচ পাতি না করলেও কম বেশি সবাই বাজারের কি অবস্থা জানি। পূর্বে যে চাল কিনতে লাগত ২০ টাকা এখন সেই চাল পার কেজি ৬০ টাকা । যেখানে ডালের কেজি ৫০ছিল টাকা সেখানে ১২০ টাকা।
২ বছর পূর্বে জিন্দাবাজার থেকে মেডিকেল যাওয়ার জন্য রিক্সাওয়ালাকে দিতাম ২০ টাকা এখনও দেই ২০ টাকা । এটা কোন কথা হল? আমরা সাধারনত যা করি ৫ টাকা ১০ টাকার জন্য রিক্সাওয়ালাদের সাথে ঝগড়া করি। ঠাস করে চড় মারি। ২০ টাকার জায়গায় রিক্সা ওয়ালারা ২৫ টাকা চাইলেই মেজাজ চড়ে যায়। আরে বাবা ৫ টাকা বেশি দিলে কি হয়? এরাত আর তোমাকে ঠকিয়ে টাকা নিচ্ছে না। নিজের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কষ্ট করে নিচ্ছে। তুমি এদের দিবা নাত কাকে দিবা?
আমাদের সকলের এই অভ্যাসটা হল রিক্সাওয়ালাকে কিভাবে টাকা কম দেয়া যায়। বলতে লজ্জা লাগলেও আমার নিজের বন্ধুদের মধ্যেও এই অভ্যাস দেখেছি। যে বন্ধু রিক্সাওলাকে ২০ টাকার জায়গায় ২৫ টাকা দিতে কার্পণ্য করে সেই বন্ধু আবার আমাকে চাইনিজে গিয়ে হাজার দুই খরচ করতে দ্বিধা বোধ করে না । আমার মনে প্রশ্ন জাগে কিন্তু কেন?
আমাদের সিলেটে পাহাড় বা টিলার সংখ্যা বেশী। তাই আমি যখন সাইকেল চালিয়ে বাসায় আসি মনে হয় এত কষ্ট ! নিজের শরীরের ওজন নিজে টানতে পারি না, আর এ দিকে রিক্সাওলা বেচারা কত কিছুর ওজন টানে?
রিক্সার ওজন
ওর নিজের ওজন
১ বা ২ বা ৩ জন পেসেঞ্জারের ওজন
এখন চিন্তা করেন এত কষ্ট করার পর যদি রিক্সাওয়ালারা যদি আমার কাছে ৫-১০ টাকা বেশি চায় তাতে আমি দোষের কিছু দেখি না।
প্রতিদিন কত ফালতু কাজেই না শত শত টাকা খরচ করি।আড্ডায় বসে সিগারেট বেনসন খাওয়া, কাপের পর কাপ চা খাওয়া, মোবাইলে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা কত কিছু??
গার্ল ফ্রেন্ডকে নিয়া শপিং করেন, রিক্সাওয়ালা সেই শপিং ব্যাগটাও পর্যন্ত বাসার ভিতর দিয়ে আসে এবং আপনি ৫ টাকা ভাড়া কম দিয়ে তার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেন।
আর সেখানে ৫ টাকা মাত্র ৫ টাকা কি বেশী দিলে কি আপনার টাকা একদম জলায় পড়ে যায়?
আর হ্যা মাঝে মধ্যে রিক্সা ওয়ালারা আমাদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া চায় বা বেয়াদবি করে । হ্যা অতিরিক্ত যে ভাড়া চায় সেইটাও কিন্তু আপনার কারনে। আপনি আগেই টাকা পয়সা কম দিয়ে বিদায় করেছেন । মেজাজত তাদের খারাপ থাকবেই।
লিখেছেন আমাগুর Abdul Mouhit ভাই
ভার্সিটিতে যাব। আমি আর আমার এক বন্ধু রিক্সার জন্য দাড়িয়ে আছি। অনেকক্ষন থেকে দাড়িয়ে আছি। কোন রিক্সা পাচ্ছি না। শেষ পর্যন্ত একটা পেলাম।
ড্রাইভার যাবা?
যামু কই যাইবেন?
মেডিকেল।
এ কথা বলার পরেই আমি আর আমার বন্ধু রিক্সায় উঠে পড়লাম। ড্রাইভার তখন সাথে সাথে জিজ্ঞেস করল,
ভাই ভাড়া কত দিবেন?
ভাড়া যত তত পাবেন।
না ভাই তারপরেও বলুন ।
আমি বললাম আপনার কত লাগবে ?
ভাই ২৫ টাকা দিয়েন ।
আচ্ছা ঠিক আছে দেব।
রিক্সায় উঠার পর ড্রাইভার বলতে লাগল,
“ভাইজানেরা এখন এমন দিনকাল পড়ছে কেউ সঠিক ভাড়া দিতে চায় না।“
আরো অনেক কথা । আমি ঐ দিকে যাচ্ছি না।
যাই হোক আমারা আমাদের জায়গাতে এসে পৌঁছালাম। রিক্সা থেকে নেমে ২৫ টাকার জায়গায় ৩০ টাকা দিলাম। লোকটা কোন কথা না বলে আমার দিকে তাকিয়ে একটা সালাম দিয়ে বলল “ ভাই আপনাকে সালাম দিলাম”
আমার হা করে দাড়িয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।
এখন প্রশ্ন হল মাত্র ৫ টাকা বেশী দেওয়ার কারনে সে কেন আমাকে সালাম দিবে???
বাসার খরচ পাতি না করলেও কম বেশি সবাই বাজারের কি অবস্থা জানি। পূর্বে যে চাল কিনতে লাগত ২০ টাকা এখন সেই চাল পার কেজি ৬০ টাকা । যেখানে ডালের কেজি ৫০ছিল টাকা সেখানে ১২০ টাকা।
২ বছর পূর্বে জিন্দাবাজার থেকে মেডিকেল যাওয়ার জন্য রিক্সাওয়ালাকে দিতাম ২০ টাকা এখনও দেই ২০ টাকা । এটা কোন কথা হল? আমরা সাধারনত যা করি ৫ টাকা ১০ টাকার জন্য রিক্সাওয়ালাদের সাথে ঝগড়া করি। ঠাস করে চড় মারি। ২০ টাকার জায়গায় রিক্সা ওয়ালারা ২৫ টাকা চাইলেই মেজাজ চড়ে যায়। আরে বাবা ৫ টাকা বেশি দিলে কি হয়? এরাত আর তোমাকে ঠকিয়ে টাকা নিচ্ছে না। নিজের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কষ্ট করে নিচ্ছে। তুমি এদের দিবা নাত কাকে দিবা?
আমাদের সকলের এই অভ্যাসটা হল রিক্সাওয়ালাকে কিভাবে টাকা কম দেয়া যায়। বলতে লজ্জা লাগলেও আমার নিজের বন্ধুদের মধ্যেও এই অভ্যাস দেখেছি। যে বন্ধু রিক্সাওলাকে ২০ টাকার জায়গায় ২৫ টাকা দিতে কার্পণ্য করে সেই বন্ধু আবার আমাকে চাইনিজে গিয়ে হাজার দুই খরচ করতে দ্বিধা বোধ করে না । আমার মনে প্রশ্ন জাগে কিন্তু কেন?
আমাদের সিলেটে পাহাড় বা টিলার সংখ্যা বেশী। তাই আমি যখন সাইকেল চালিয়ে বাসায় আসি মনে হয় এত কষ্ট ! নিজের শরীরের ওজন নিজে টানতে পারি না, আর এ দিকে রিক্সাওলা বেচারা কত কিছুর ওজন টানে?
রিক্সার ওজন
ওর নিজের ওজন
১ বা ২ বা ৩ জন পেসেঞ্জারের ওজন
এখন চিন্তা করেন এত কষ্ট করার পর যদি রিক্সাওয়ালারা যদি আমার কাছে ৫-১০ টাকা বেশি চায় তাতে আমি দোষের কিছু দেখি না।
প্রতিদিন কত ফালতু কাজেই না শত শত টাকা খরচ করি।আড্ডায় বসে সিগারেট বেনসন খাওয়া, কাপের পর কাপ চা খাওয়া, মোবাইলে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা কত কিছু??
গার্ল ফ্রেন্ডকে নিয়া শপিং করেন, রিক্সাওয়ালা সেই শপিং ব্যাগটাও পর্যন্ত বাসার ভিতর দিয়ে আসে এবং আপনি ৫ টাকা ভাড়া কম দিয়ে তার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেন।
আর সেখানে ৫ টাকা মাত্র ৫ টাকা কি বেশী দিলে কি আপনার টাকা একদম জলায় পড়ে যায়?
আর হ্যা মাঝে মধ্যে রিক্সা ওয়ালারা আমাদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া চায় বা বেয়াদবি করে । হ্যা অতিরিক্ত যে ভাড়া চায় সেইটাও কিন্তু আপনার কারনে। আপনি আগেই টাকা পয়সা কম দিয়ে বিদায় করেছেন । মেজাজত তাদের খারাপ থাকবেই।
লিখেছেন আমাগুর Abdul Mouhit ভাই






0 comments:
Post a Comment