আল্লাহর কালাম মুখস্থ করতে ব্যস্ত এই শিশু গুলোর সওয়াবের পরিমাণ কি অনুমান করা সম্ভব? একটি আয়াত মুখস্থ করতে আয়াতটিকে সর্বনিম্ন কতবার পড়তে হয়? ৬৬৬৬ আয়াত মুখস্থ করতে গিয়ে পুরো কোরআন তাহলে কতবার পড়তে হবে ? একেকটি আয়াতে কত গুলো অক্ষর থাকে? কোরআন ও নির্ভরযোগ্য হাদিস অনুসারে, প্রতিটি অক্ষরে যদি কমপক্ষে ১০ টি করেও সওয়াব দেয়া হয়, প্রতিদিন তারা কি পরিমাণ সওয়াব কামাই করছেন, যান্ত্রিক ক্যালকুলেটরে কি তা হিসেব করা সম্ভব ???
এতদসত্ত্বেও, কোরআন হিফয ও পরবর্তী মাদ্রাসা শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট এই শ্রেণিটি আমাদের দৃষ্টিতে অযোগ্য ও নিরর্থক পরিশ্রমে লিপ্ত। কেননা, সমাজে আর ১০জন মানুষের মত স্বাভাবিক ভাবে বেচে থাকার জন্য কোরআনের সাথে এই সংশ্লিষ্টতা কোন কাজে আসে না। এই পরিশ্রমের কোন OUTPUT নেই। কোন FUTURE নেই।
---------------------------------------
যুক্তির আলোকে বিচার করলে হয়তো আমাদের এই চিন্তাধারাটি সঠিক। আসলেই আমাদের তথাকথিত এই সমাজ ব্যবস্থাতে কেবল কোরআন ও হাদিসের সাথে সংশ্লিষ্টতা একটি ছেলেকে স্বাচ্ছন্দ্য পূর্ণ জীবন দান করতে পারে না। কিন্তু যাদেরকে নিয়ে আমি আপনি এত ভাবছি, তারা নিজেদেরকে নিয়ে কিন্তু কখনই এভাবে ভাবে না।
তাদের কাছে জীবন একটাই। সেটা আখেরাতের জীবন। জীবনের লক্ষ্যও একটাই। সেটা রসুলের মত জীবন গড়ন। কোরআন হাদিস নিয়ে পড়ে থাকার কারণে যখন রাসুলের মত একবেলা খেয়ে না খেয়ে কাটানো জীবন তাদের ভাগ্যে জোটে, আমাদের দৃষ্টিতে তাদেরকে অভাগা মনে হলেও তাদের নিজেদের কাছে নিজেদেরকে পৃথিবীর সবচেয়ে সৌভাগ্যবান বলেই মনে হয়।
---------------------
তোমরা তো কেবল দুনিয়ার জীবনকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছ। অথচ আখেরাতের জীবন অনেক উত্তম ও চিরস্থায়ী । ( ১৬,১৭ সুরাহ আ'লা)
:::রিজওয়ানুল কবির সানিন:::
এতদসত্ত্বেও, কোরআন হিফয ও পরবর্তী মাদ্রাসা শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট এই শ্রেণিটি আমাদের দৃষ্টিতে অযোগ্য ও নিরর্থক পরিশ্রমে লিপ্ত। কেননা, সমাজে আর ১০জন মানুষের মত স্বাভাবিক ভাবে বেচে থাকার জন্য কোরআনের সাথে এই সংশ্লিষ্টতা কোন কাজে আসে না। এই পরিশ্রমের কোন OUTPUT নেই। কোন FUTURE নেই।
---------------------------------------
যুক্তির আলোকে বিচার করলে হয়তো আমাদের এই চিন্তাধারাটি সঠিক। আসলেই আমাদের তথাকথিত এই সমাজ ব্যবস্থাতে কেবল কোরআন ও হাদিসের সাথে সংশ্লিষ্টতা একটি ছেলেকে স্বাচ্ছন্দ্য পূর্ণ জীবন দান করতে পারে না। কিন্তু যাদেরকে নিয়ে আমি আপনি এত ভাবছি, তারা নিজেদেরকে নিয়ে কিন্তু কখনই এভাবে ভাবে না।
তাদের কাছে জীবন একটাই। সেটা আখেরাতের জীবন। জীবনের লক্ষ্যও একটাই। সেটা রসুলের মত জীবন গড়ন। কোরআন হাদিস নিয়ে পড়ে থাকার কারণে যখন রাসুলের মত একবেলা খেয়ে না খেয়ে কাটানো জীবন তাদের ভাগ্যে জোটে, আমাদের দৃষ্টিতে তাদেরকে অভাগা মনে হলেও তাদের নিজেদের কাছে নিজেদেরকে পৃথিবীর সবচেয়ে সৌভাগ্যবান বলেই মনে হয়।
---------------------
তোমরা তো কেবল দুনিয়ার জীবনকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছ। অথচ আখেরাতের জীবন অনেক উত্তম ও চিরস্থায়ী । ( ১৬,১৭ সুরাহ আ'লা)
:::রিজওয়ানুল কবির সানিন:::






0 comments:
Post a Comment