BY: Abdul Mouhit
মুমিন মুসলমান ভাইদের প্রতি আমার কিছু কথা। কথাগুলো কোন জ্ঞানের কথা নয়, অবশ্য পালনীয় কথা বার্তা নয়। নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করলেই উত্তর পেয়ে যাবেন।
আমরা সবাই যে কাজটা করি শুক্রবারে জুম্মার নামাযে যাওয়ার পরে জুতা যেন চুরি না হয় সে জন্য জুতাটা হাতে করে মসজিদের ভিতরে নিয়ে যাই। খুব ভাল কথা। কিন্তু একবারও কি কেউ এ কথা চিন্তা করে দেখেছি যে জুতা ভিতরে নিয়ে যাওয়াটা ভাল কাজ? দেখুন আপনি নিশ্চয় ওযু করার সময় পা ধোয়ার সাথে সাথে জুতাটাও ধুয়েছেন কিংবা পা ধোয়ার সময় আপনার জুতা ভিজেছে। এবং ওযু সেরেই মসজিদের ভিতর প্রবেশ করছেন? তাহলে আপনি যখন জুতা হাতে করে ভিতরে ঢুকতেছেন আপনার হাতের জুতা থেকে কি পানি টপ টপ করে পড়ছে না? এবং এই জুতার পানি যে মসজিদের ভিতরে পড়ছে সে দিকে কি আপনার খেয়াল আছে? আপনার জু্তার পানি যেখানে পড়ছে সেই জায়গাতেই একটু পরে অন্য একজন মুসল্লি ভাই এসে নামায পড়বেন। আপনি কি সিওর হয়ে বলতে পারবেন আপনার জুতা থেকে যে পানি পড়ছে তা পাক? বাসা থেকে আসার সময় রাস্তায় আপনি কত কিছুর উপর দিয়ে হেটে এসেছেন সে দিকে কি খেয়াল আছে?
এছাড়াও অনেকেই নামাযের শেষের দিকে এসে সামনের কাতারে বসার চেষ্টা করেন। উনারাত আরো মারাত্মক। উনাদের জুতার পানি শুধু মসজিদের ভিতরে নয় সকল মুসল্লি ভাইদের গায়ের উপরে গিয়ে পড়ে। এছাড়াও উনারা সবার শরীরের উপর পাড়া দিতে দিতে সামনে গিয়ে বসেন।
আরে ভাই আপনার জুতার মূল্য কি এতই বেশি যে আপনার কারণে একটা পরিষ্কার জায়গাকে আপনি ময়লা করবেন? অন্যের শরীরে আপনার জুতার ময়লা পানি ফেলাবেন? মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করবেন। কত শত শত টাকা আমরা ফালতু কাজে নষ্ট করি আর এখানে সামন্য কয়েকটা টাকার জন্য ......আমি লক্ষ করেছি এমনকি অনেকে আছে যে তাদের জুতার বয়স কম হলেও ৪-৫ বছর হয়ে গিয়েছে, জুতায় ৭-৮ টা সেলাই লাগানো, অথচ সেই জুতাটাও বগলে করে মসজিদের ভিতর নিয়ে ঢুকতে হয়।
এখন অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে মসজিদের ভিতর ঢুকলে মনে হয় আমি বাটার শো রুমে এসেছি। যেখানে বসবেন সেখানেই জুতা। পেছনেও জুতা সামননেও জুতা। সেজদা করতে যাচ্ছেন আপনার কপালের সামনে জুতা। সেজদার সময় আপনার মাথা গিয়ে লাগবে জুতার সাথে। কি এসব? একটু পরে দেখবেন আপনি যে জায়গায় বসে আছেন সে জায়টা জুতার পানিতে ঢুবে গেছে।
এখন ই যদি এমন অবস্থা হয় তাহলে বর্ষা কালের কথা একটু চিন্তা করে দেখুন। !! তখন রীতিমত মসজিদের ভিতর জুতার পানির বন্যা বয়ে যায়। যারা এমন কাজ করে তাদের বিবেক বোধ দেখে আমার বুমি আসে। কি পরিমাণ খেচ্ছর না হতে পারে মানুষ।
শুধু এখানেই শেষ নয়। নামায শেষ হল। এবার হল বম ফোটানোর পালা। মসজিদের ভেতরেত বগলের নিচে করে জুতা নিয়ে ঢুকলাম, আবার বগলে করে জুতা নিয়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে চটাশ চটাশ করে জুতা আছাড় দিয়ে ফেলতে হবে না? সবাইকে জানাতে হবে না যে আমার নামা্য শেষ।
কি পরিমান বিশ্রী এই কাজ? আরে ভাই আপনিত সুন্নত না পড়েই দৌড়াচ্ছেন, কিন্তু এখানে যে আরো অনেকেই পুরা নামায শেষ করে বের হতে চায়। তাদেরকে শান্তিতে নামায পড়তে দেন। আপনাদের সবার জুতার শব্দে যদি ঐ মুসল্লি ভাইয়ের নামায নষ্ট হয় তবে ঐ গুনাহটুকু যে আপনার ঘাড়ে এসে পড়বে তাকি আপনি জানেন??
এছাড়াও এভাবে জুতা ঢিল দেয়া ফেলা কিন্তু মসজিদের অবমাননা হয়। এটা ঢং তামাশার জায়গা নয়।
আরো একটা জিনিস দেখলাম আমাদের ইয়াং পুলাপানেরা এই কাজটা বেশী করে। হুযুর খুতবা পরছেন। আন্য দিকে উনারা বন্ধুরা বসে বাসার যা মজার মজার গল্প আছে তা বলা এখানে এনে বুমি করে বের করতেছেন। আরে মিয়ারা খুতবার সময় হাতের নোখ খোনটানো পর্যন্ত নিষেধ। খুতবা শুনতে হবে।
এখন আমার আর কিছু বলার নাই। বাকিটুকু আপনার বিবেকের উপরে ছেড়ে দিলাম। এবং আমি এটাও জানি যারা এই লেখাটা পড়বেন তারাই এই কাজ গুলা আরো বেশী করে করবেন।
মুমিন মুসলমান ভাইদের প্রতি আমার কিছু কথা। কথাগুলো কোন জ্ঞানের কথা নয়, অবশ্য পালনীয় কথা বার্তা নয়। নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করলেই উত্তর পেয়ে যাবেন।
আমরা সবাই যে কাজটা করি শুক্রবারে জুম্মার নামাযে যাওয়ার পরে জুতা যেন চুরি না হয় সে জন্য জুতাটা হাতে করে মসজিদের ভিতরে নিয়ে যাই। খুব ভাল কথা। কিন্তু একবারও কি কেউ এ কথা চিন্তা করে দেখেছি যে জুতা ভিতরে নিয়ে যাওয়াটা ভাল কাজ? দেখুন আপনি নিশ্চয় ওযু করার সময় পা ধোয়ার সাথে সাথে জুতাটাও ধুয়েছেন কিংবা পা ধোয়ার সময় আপনার জুতা ভিজেছে। এবং ওযু সেরেই মসজিদের ভিতর প্রবেশ করছেন? তাহলে আপনি যখন জুতা হাতে করে ভিতরে ঢুকতেছেন আপনার হাতের জুতা থেকে কি পানি টপ টপ করে পড়ছে না? এবং এই জুতার পানি যে মসজিদের ভিতরে পড়ছে সে দিকে কি আপনার খেয়াল আছে? আপনার জু্তার পানি যেখানে পড়ছে সেই জায়গাতেই একটু পরে অন্য একজন মুসল্লি ভাই এসে নামায পড়বেন। আপনি কি সিওর হয়ে বলতে পারবেন আপনার জুতা থেকে যে পানি পড়ছে তা পাক? বাসা থেকে আসার সময় রাস্তায় আপনি কত কিছুর উপর দিয়ে হেটে এসেছেন সে দিকে কি খেয়াল আছে?
এছাড়াও অনেকেই নামাযের শেষের দিকে এসে সামনের কাতারে বসার চেষ্টা করেন। উনারাত আরো মারাত্মক। উনাদের জুতার পানি শুধু মসজিদের ভিতরে নয় সকল মুসল্লি ভাইদের গায়ের উপরে গিয়ে পড়ে। এছাড়াও উনারা সবার শরীরের উপর পাড়া দিতে দিতে সামনে গিয়ে বসেন।
আরে ভাই আপনার জুতার মূল্য কি এতই বেশি যে আপনার কারণে একটা পরিষ্কার জায়গাকে আপনি ময়লা করবেন? অন্যের শরীরে আপনার জুতার ময়লা পানি ফেলাবেন? মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করবেন। কত শত শত টাকা আমরা ফালতু কাজে নষ্ট করি আর এখানে সামন্য কয়েকটা টাকার জন্য ......আমি লক্ষ করেছি এমনকি অনেকে আছে যে তাদের জুতার বয়স কম হলেও ৪-৫ বছর হয়ে গিয়েছে, জুতায় ৭-৮ টা সেলাই লাগানো, অথচ সেই জুতাটাও বগলে করে মসজিদের ভিতর নিয়ে ঢুকতে হয়।
এখন অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে মসজিদের ভিতর ঢুকলে মনে হয় আমি বাটার শো রুমে এসেছি। যেখানে বসবেন সেখানেই জুতা। পেছনেও জুতা সামননেও জুতা। সেজদা করতে যাচ্ছেন আপনার কপালের সামনে জুতা। সেজদার সময় আপনার মাথা গিয়ে লাগবে জুতার সাথে। কি এসব? একটু পরে দেখবেন আপনি যে জায়গায় বসে আছেন সে জায়টা জুতার পানিতে ঢুবে গেছে।
এখন ই যদি এমন অবস্থা হয় তাহলে বর্ষা কালের কথা একটু চিন্তা করে দেখুন। !! তখন রীতিমত মসজিদের ভিতর জুতার পানির বন্যা বয়ে যায়। যারা এমন কাজ করে তাদের বিবেক বোধ দেখে আমার বুমি আসে। কি পরিমাণ খেচ্ছর না হতে পারে মানুষ।
শুধু এখানেই শেষ নয়। নামায শেষ হল। এবার হল বম ফোটানোর পালা। মসজিদের ভেতরেত বগলের নিচে করে জুতা নিয়ে ঢুকলাম, আবার বগলে করে জুতা নিয়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে চটাশ চটাশ করে জুতা আছাড় দিয়ে ফেলতে হবে না? সবাইকে জানাতে হবে না যে আমার নামা্য শেষ।
কি পরিমান বিশ্রী এই কাজ? আরে ভাই আপনিত সুন্নত না পড়েই দৌড়াচ্ছেন, কিন্তু এখানে যে আরো অনেকেই পুরা নামায শেষ করে বের হতে চায়। তাদেরকে শান্তিতে নামায পড়তে দেন। আপনাদের সবার জুতার শব্দে যদি ঐ মুসল্লি ভাইয়ের নামায নষ্ট হয় তবে ঐ গুনাহটুকু যে আপনার ঘাড়ে এসে পড়বে তাকি আপনি জানেন??
এছাড়াও এভাবে জুতা ঢিল দেয়া ফেলা কিন্তু মসজিদের অবমাননা হয়। এটা ঢং তামাশার জায়গা নয়।
আরো একটা জিনিস দেখলাম আমাদের ইয়াং পুলাপানেরা এই কাজটা বেশী করে। হুযুর খুতবা পরছেন। আন্য দিকে উনারা বন্ধুরা বসে বাসার যা মজার মজার গল্প আছে তা বলা এখানে এনে বুমি করে বের করতেছেন। আরে মিয়ারা খুতবার সময় হাতের নোখ খোনটানো পর্যন্ত নিষেধ। খুতবা শুনতে হবে।
এখন আমার আর কিছু বলার নাই। বাকিটুকু আপনার বিবেকের উপরে ছেড়ে দিলাম। এবং আমি এটাও জানি যারা এই লেখাটা পড়বেন তারাই এই কাজ গুলা আরো বেশী করে করবেন।






0 comments:
Post a Comment